Opens in a new tab

customercare@trucklagbe.com

+880 9638 000 245

সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮
অক্টোবর 27, 2026

সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮: জরিমানা ও শাস্তির তালিকা (২০২৬)

সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী, বৈধ লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড, ওভারলোডে ১ লাখ টাকা ও এক বছর, আর বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে কারও মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটালে ৫ লাখ টাকা ও পাঁচ বছর পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে। ২০২৬ সালের জুন থেকে বিআরটিএ লাইসেন্স থেকে ডিমেরিট পয়েন্টও কাটছে, আর ১২ পয়েন্ট হারালে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়।

এই লেখায় চালক, ট্রাকমালিক ও পণ্যপরিবহনকারীদের জন্য আইনের মূল জরিমানা, ২০২৬ সালে কীভাবে এগুলো কার্যকর করা হচ্ছে এবং আইনে কী পরিবর্তন আসতে পারে, তা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ কি এখনও কার্যকর?

সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮: জরিমানা ও শাস্তির তালিকা (২০২৬) Infographic

পিডিএফ ডাউনলোড করুন

হ্যাঁ। আইনটি ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়, যা বাংলাদেশ সরকারের আইনি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আইনে দেখা যায়। এটি পুরনো মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩-এর জায়গা নিয়েছে, তাই অনেকে এখনও একে মোটরযান আইন বা ট্রাফিক আইন বলেন।

২০২৪ সালের মার্চে মন্ত্রিসভা একটি সংশোধনীর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয়, যেখানে কয়েকটি জরিমানা কমানোর প্রস্তাব ছিল, যেমন সিগন্যাল অমান্যের জরিমানা ১০ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা,

সূত্র: প্রথম আলো। তবে সেই সংশোধনী পাস হওয়ার কোনো নথি আমরা পাইনি।

বিআরটিএর সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতেও আগের জরিমানাই বহাল আছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে বিআরটিএ আবার জানায়, বৈধ লাইসেন্স ছাড়া বা লাইসেন্সের শ্রেণির বাইরের গাড়ি চালালে ছয় মাস কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

সূত্র: ঢাকা টাইমস।

নিচের অঙ্কগুলো আইনে দেওয়া সর্বোচ্চ শাস্তি। আদালত বা ভ্রাম্যমাণ আদালত এর চেয়ে কম দণ্ড দিতে পারে, আর অনেক অপরাধে কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে।

লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্রের জরিমানা

অপরাধ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড সর্বোচ্চ জরিমানা
বৈধ লাইসেন্স ছাড়া বা শ্রেণির বাইরের গাড়ি চালানো ৬ মাস ২৫,০০০ টাকা
স্থগিত বা বাতিল লাইসেন্সে গাড়ি চালানো ৩ মাস ২৫,০০০ টাকা
ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার বা তৈরি ৬ মাস থেকে ২ বছর ১ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা
নিবন্ধনহীন গাড়ি চালানো ৬ মাস ৫০,০০০ টাকা
ভুয়া নম্বরপ্লেট ৬ মাস থেকে ২ বছর ১ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা
ফিটনেস সনদ না থাকা ৬ মাস ২৫,০০০ টাকা
রুট পারমিট না থাকা ৬ মাস ২০,০০০ টাকা
ট্যাক্স টোকেন নবায়ন না করা উল্লেখ নেই ১০,০০০ টাকা
লাইসেন্স ছাড়া কন্ডাক্টর বা হেল্পার ১ মাস ৫,০০০ টাকা

সূত্র: আইনের দণ্ডতালিকা নিয়ে প্রথম আলো ও টিবিএস-এর প্রতিবেদন।

ট্রাকমালিকদের ক্ষেত্রে কাগজপত্রের জরিমানা দ্রুত বাড়ে। ফিটনেস সনদ আর রুট পারমিট ছাড়া একটি ট্রাক ধরা পড়লে চালকের লাইসেন্স দেখার আগেই ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। কোন গাড়ির জন্য কোন লাইসেন্স লাগে, তা জানতে পড়ুন আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ধরন ও হেভি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে গাইড।

গাড়ি চালানোর সময়ের অপরাধ ও জরিমানা

অপরাধ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড সর্বোচ্চ জরিমানা ডিমেরিট পয়েন্ট
ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত অমান্য ১ মাস ১০,০০০ টাকা ১
গতিসীমা অতিক্রম ১ মাস ১০,০০০ টাকা ১
উল্টো পথে গাড়ি চালানো ৩ মাস ১০,০০০ টাকা উল্লেখ নেই
মাদক সেবন করে গাড়ি চালানো ৩ মাস ১০,০০০ টাকা উল্লেখ নেই
হেলমেট ছাড়া বা দুইজনের বেশি মোটরসাইকেলে ৩ মাস ১০,০০০ টাকা উল্লেখ নেই
সিটবেল্ট না পরা উল্লেখ নেই ৫,০০০ টাকা উল্লেখ নেই
গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার উল্লেখ নেই ৫,০০০ টাকা উল্লেখ নেই
হাইড্রলিক হর্ন বা অতিরিক্ত হর্ন ৩ মাস ১০,০০০ টাকা ১
কালো ধোঁয়া ছাড়া গাড়ি ৩ মাস ২৫,০০০ টাকা ১
অবৈধ পার্কিং উল্লেখ নেই ৫,০০০ টাকা ১
নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় ১ মাস ১০,০০০ টাকা ১
মিটার কারসাজি বা বেশি ভাড়া (সিএনজি অটোরিকশা) ৬ মাস ৫০,০০০ টাকা ১
দুর্ঘটনায় আহতকে সহায়তা না করা বা পুলিশকে না জানানো ১ মাস ২০,০০০ টাকা ১

সূত্র: প্রথম আলো, টিবিএস ও মিটার কারসাজি নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউন। ডিমেরিট পয়েন্ট বিআরটিএর মে ২০২৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী। মোবাইল ফোনের জরিমানার অঙ্কটি কেবল সংবাদপত্রের সারসংক্ষেপে পাওয়া গেছে।

ওভারলোড ও পণ্যবাহী গাড়ি

নিয়মিত ট্রাক চালানোর ক্ষেত্রে ওভারলোড সবচেয়ে ভারী শাস্তিগুলোর একটি: এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড, আর ২০২৬ সাল থেকে চালকের লাইসেন্স থেকে দুই পয়েন্ট কাটা। অনুমোদন ছাড়া গাড়ির কাঠামো বদলালে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

ওভারলোড বা নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি কোনো ক্ষতি করলে ১৯৮ ধারায় শাস্তি বেড়ে দাঁড়ায় তিন বছর কারাদণ্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানায়।

সূত্র: টিবিএস

বৈধ ওজন নির্ভর করে এক্সেলের সংখ্যার ওপর। ২০১৬ সালের একটি সরকারি অফিস আদেশ অনুযায়ী দুই এক্সেলের ট্রাকের মোট ওজন ২২ টন, তিন এক্সেলে ৩০ টন এবং সাত এক্সেলে ৩২ টন পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস

পণ্য পরিবহনকারীদের জন্য নিরাপদ নিয়ম হলো ট্রাকের নির্ধারিত বহনক্ষমতার মধ্যে থাকা। কোন ট্রাক কত টন বহন করতে পারে, তা আমাদের ট্রাকের সাইজ গাইডে আছে।

দুর্ঘটনায় আহত বা মৃত্যু

বেপরোয়া বা অবহেলায় গাড়ি চালিয়ে কারও মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটালে ১০৫ ধারায় পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। প্রথম আলোর তথ্য মতে অপরাধটি জামিনঅযোগ্য। বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা প্রতিযোগিতায় কেউ আহত হলে তিন বছর ও ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত শাস্তি।

যেকোনো দুর্ঘটনার পর চালককে পুলিশকে জানাতে হবে এবং আহতকে হাসপাতালে নিতে সাহায্য করতে হবে। না করলে আলাদা অপরাধ হিসেবে এক মাস কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক পয়েন্ট কাটা যাবে।

১২ পয়েন্টের ডিমেরিট সিস্টেম

আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী শিক্ষানবিস ছাড়া প্রতিটি লাইসেন্সে ১২ পয়েন্ট থাকে। কোন অপরাধে কত পয়েন্ট কাটা যাবে, তা বিআরটিএ ২০২৬ সালের ৫ মের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বেশিরভাগ অপরাধে এক পয়েন্ট কাটা যায়: সিগন্যাল অমান্য, গতিসীমা অতিক্রম, হর্নের অপব্যবহার, অবৈধ পার্কিং, বেশি ভাড়া আদায়, দূষণকারী গাড়ি, মহাসড়কের নিয়ম ভাঙা এবং আহতকে সহায়তা না করা। ওভারলোড ও ইচ্ছাকৃতভাবে সড়ক অবরোধে কাটা যায় দুই পয়েন্ট করে।

জুন ২০২৬ থেকে বিআরটিএ তার রোড সেফটি পেনাল্টি সিস্টেম (আরএসপিএস) অ্যাপের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পয়েন্ট কাটছে। সেই মাসেই ৭৫ জন চালকের ৮৮ পয়েন্ট কাটা হয়েছে। সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার।

বিআরটিএর একজন উপপরিচালক পত্রিকাটিকে বলেছেন, কাটা পয়েন্ট আর ফেরত পাওয়া যায় না, আর ১২ পয়েন্ট হারালে লাইসেন্স বাতিল হয়, নবায়ন বা নতুন করে আবেদনও করা যায় না।

একজন ট্রাকচালকের ক্ষেত্রে ছয়বার ওভারলোডের পয়েন্ট কাটা গেলেই ১২ পয়েন্ট শেষ হয়ে যায়, জরিমানা প্রতিবার পরিশোধ করলেও।

২০২৬ সালে আইন কীভাবে কার্যকর হচ্ছে

২০২৬ সালের ৩ মে থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সিসিটিভি ও এআই-চালিত ক্যামেরার ফুটেজ দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা করছে। টিবিএস জানিয়েছে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন ব্যবস্থায় গাড়ির নিবন্ধিত ঠিকানায় নোটিশ যায়, আর মালিক ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগে গিয়ে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জরিমানা দেন। নোটিশ উপেক্ষা করলে আদালতের সমন বা পরোয়ানা আসতে পারে।

পুলিশ নিয়মিত অভিযানও চালায়। ঢাকা ট্রিবিউন জানিয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে মাত্র দুই দিনে ডিএমপি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ৩,২০৬টি মামলা করে, যার ১,৩১৫টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে, আর ৮৭৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়। গাড়ির নিবন্ধনে ঠিকানা হালনাগাদ রাখুন, নইলে ক্যামেরার নোটিশ পুরনো ঠিকানায় চলে যাবে।

সড়ক দুর্ঘটনার সর্বশেষ পরিসংখ্যান

প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী এবং রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে ২০২৫ সালে ৭,৫৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭,৩৫৯ জন নিহত ও ১৬,৪৭৬ জন আহত হন। এছাড়াও বণিক বার্তার তথ্য মতে বিআরটিএর হিসাবে ২০২৫ সালে মৃত্যু ৫,৪৯০ জন, যা তাদের রেকর্ডে সর্বোচ্চ, জানিয়েছে। ২০২৬ সালের জুনে ৪৩৮ জন ও সেপ্টেম্বরে ৪২৩ জন মারা গেছেন বলে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানায়, ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও বিডিনিউজ২৪।

আইনে কী পরিবর্তন আসতে পারে

তিনটি পরিবর্তনের প্রস্তাব আছে। ২০২৪ সালের সংশোধনীর খসড়ায় কয়েকটি জরিমানা কমানো ও কিছু অপরাধ জামিনযোগ্য করার কথা ছিল, তবে সেটি পাস হওয়ার কোনো নথি পাওয়া যায়নি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ২০২৭ সালের মধ্যে আলাদা সড়ক নিরাপত্তা আইন করার কথা জানায়। আর ২০২৫ সালের অক্টোবরে লাইসেন্সের আগে ৬০ ঘণ্টার বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়, যা এখনও আনুষ্ঠানিক শর্ত হয়নি।

এগুলোর কোনোটি আইন হিসেবে কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এই লেখার জরিমানাই প্রযোজ্য।

ট্রাকমালিক ও চালকদের জন্য চেকলিস্ট

  1. চালকের লাইসেন্স, গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, রুট পারমিট ও ট্যাক্স টোকেন হালনাগাদ রাখুন এবং গাড়িতে সঙ্গে রাখুন।
  2. চালকের লাইসেন্সের শ্রেণি ট্রাকের সঙ্গে মিলছে কি না দেখুন: বড় ট্রাকের জন্য হেভি, প্রাইম মুভারের জন্য বিশেষ ধরনের শ্রেণি।
  3. ট্রাকের নির্ধারিত বহনক্ষমতার মধ্যে মাল তুলুন। ওভারলোডে জরিমানার সঙ্গে দুই পয়েন্টও কাটা যায়।
  4. গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না, আর হর্ন যতটা সম্ভব কম বাজান।
  5. গাড়ির নিবন্ধনে ঠিকানা হালনাগাদ রাখুন, যাতে ক্যামেরার নোটিশ আপনার কাছে পৌঁছায়।
  6. দুর্ঘটনা ঘটলে গাড়ি থামান, পুলিশকে জানান এবং আহতকে হাসপাতালে নিতে সাহায্য করুন।

ট্রাক লাগবেতে ট্রাক চালান এমন মালিকরা ট্রাক লাগবে ওনার অ্যাপ থেকে ট্রিপ পাবেন, আর পণ্যপরিবহনকারীরা ট্রাক লাগবে অ্যাপ থেকে মালের সাথে মিলিয়ে সঠিক সাইজের ট্রাক বুক করতে পারেন। ইংরেজিতে পড়তে চাইলে দেখুন আমাদের Traffic Fines and Penalties in Bangladesh গাইড।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে শাস্তি কী?

সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। লাইসেন্সের শ্রেণির বাইরের গাড়ি চালালেও একই শাস্তি।

গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারের জরিমানা কত?

সংবাদপত্রের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা। ঢাকায় ক্যামেরায় ধরা পড়লে গাড়ির নিবন্ধিত ঠিকানায় নোটিশ যায়।

ট্রাক ওভারলোডের শাস্তি কী?

এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড, সঙ্গে চালকের লাইসেন্স থেকে দুই পয়েন্ট। ওভারলোডেড গাড়ি ক্ষতি করলে শাস্তি বেড়ে তিন বছর ও ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

১২ পয়েন্ট হারালে কী হয়?

লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়, এবং বিআরটিএর ভাষ্য অনুযায়ী সেটি নবায়ন বা নতুন করে আবেদন করা যায় না। কাটা পয়েন্ট ফেরত পাওয়া যায় না।

ট্রাফিক জরিমানা কি কমানো হয়েছে?

না। ২০২৪ সালের একটি সংশোধনীর খসড়ায় জরিমানা কমানোর প্রস্তাব ছিল, তবে তা পাস হওয়ার কোনো নথি নেই, আর ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বিআরটিএ বিজ্ঞপ্তিতে আগের জরিমানাই উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকায় ট্রাফিক জরিমানা কীভাবে দেব?

ডিএমপির ক্যামেরার নোটিশ পেলে নোটিশে উল্লেখিত ট্রাফিক বিভাগে যান এবং ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জরিমানা দিন। পুলিশ বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের করা জরিমানা তাদের নির্দেশ অনুযায়ী দিতে হয়।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর সকল ধারা কোথায় পাব?

সরকারি আইনি ওয়েবসাইট bdlaws-এ আছে, যেখান থেকে প্রিন্ট বা পিডিএফ হিসেবে সংরক্ষণ করা যায়।

Trck Lagbe Logo Dark

আপনার সাবমিশন পাঠানো হয়েছে।

আমাদের একজন এজেন্ট শীঘ্রই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে

ঠিক আছে